পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা

ছবি
 হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা পুরনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁকানো পুষ্পদণ্ডে ফুটে থাকে সাদা সাদা ফুল। গজদন্ত অর্থাৎ হাতির দাঁতের মতো শুভ্র এই ফুল।গাছটি আগাছার সঙ্গে এখানে সেখানে জন্মায় তাই সাধারণের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। মোটামুটি এক দেড় ফুট লম্বা হয়। গাছের কাণ্ড ফাঁপা, নরম। সারা দেহে ছোট ছোট রোম আছে। গাছের ওপরের দিকের কাণ্ড চৌকো, নিচের দিকে অপেক্ষাকৃত গোলাকার। সংস্কৃত নাম শ্রীহস্তিনী। বৈজ্ঞানিক নাম হেলিওট্রোপিয়াম ইনডিকাম Heliotropium indicum, এবং ইংরেজি নাম 'Indian heliotrope'। হাতিশুর গাছের উপকারিতাঃ 01. দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়। 02. ফোলায়  পাতা বেঁটে অল্প গরম করে ফোলায় লাগালে, ফোলা কমে যায়। 03.  জ্বর ও কাশিতে এই গাছের মূল জলের সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথও তৈরি করে ব্যবহার করা হয়। 04.  বিষাক্ত পোকার কামড়ে – পাতার রস লাগালে জ্বালা এবং ফোলা কমে যায়।   05.  আঘাতজনিত ফোলায় – পাতা বেঁটে অল্প গরম করে লাগালে, ফোলা এবং ব্যাথা কমে যায়। 06. যাদের সর্দি লাগবে তারা এই হাতিশুড়ের পাতা...

যে প্রশংসায় নারীদের ভোগ করা সম্ভব

ছবি
 যে প্রশংসায় নারীদের ভোগ করা সম্ভব! নারীর শরীর ভোগ করার সবচেয়ে বড় ফাঁ'দ হলো প্রশংসা। ভাবী, আপনাকে দেখে মনে হয় এখনও কলেজে পড়েন! আপনার হাসিটা একদম সিনেমার নায়িকার মতো! এমন সুন্দরীকে পেয়েও কেউ ঝ'গড়া করে কিভাবে!  খেয়াল করলে দেখবেন কিছু মানুষ এই কথাগুলো বিবাহিত মেয়েদের উদ্দেশ্য করে বলে৷ এই কথাগুলো শুনতে ভালো লাগলেও এগুলোর পিছনে থাকে অন্য উদ্দেশ্য। এগুলো বলে আপনাকে আপনার বাস্তব জীবন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। আপনাকে বোঝানো হয়, আপনি অনেক বেশি স্পেশাল, যেটা আপনার স্বামী বোঝে না, কিন্তু তৃতীয় ব্যাক্তিটা বুঝে। এভাবেই তৈরি হয় মায়ার ফাঁ'দ। সামান্য অভিমান বা দাম্পত্যের টানাপোড়েনে বাইরের এই মিষ্টি কথা আপনার মনে বিষ ঢেলে দেয়। স্বামীর প্রতি ক্ষোভ বাড়ায়, সংসারে অ'শান্তি আনে, আর শেষমেশ ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। সত্যি কথা হলো, যারা এভাবে প্রশংসা করে, তারা আপনাকে বিয়ে করতে চায় না। তারা দায়িত্ব নিতে চায় না। তারা চায় কেবল শরীর, কেবল ক্ষণিকের আনন্দ। যতদিন স্বার্থ আছে, ততদিন আপনি স্পেশাল। স্বার্থ শেষ আর ফিরেও তাকাবে না। এরকম মানুষদের লাইফে বিন্দুমাত্র যায়গা দিবেন না। প্রশংসা শুনে গলে যাবেন না। যে মানু...

বাংলাদেশের প্রথম কোন কোম্পানি এনার্জি বিস্কুট তৈরি করেন?

বাংলাদেশে প্রথম এনার্জি বিস্কুট তৈরি করেছিল বাংলাদেশ এগ্রো-নিউট্রিশন লিমিটেড (BANL), যা কনফিডেন্স গ্রুপ-এর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। তারা ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে “এনার্জি বিস্কুট” নামেই বাজারজাত করে, বিশেষ করে শিশু ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য। পরে অন্যান্য কোম্পানি যেমন অ্যাফকো, প্রাণ, অলিম্পিক, কেকো ইত্যাদিও নিজেদের “এনার্জি বিস্কুট” বাজারে আনে।